আজ ১৪ জুন, চে গুয়েভারার জন্মদিবস। এ বিশ্বে তাঁর নাম শোনেননি, অন্তত তাঁর তারকাচিহ্নিত হেডব্যান্ড পরা ছবিটি দেখেননি, এমন মানুষ বোধহয় বিরল। ২০০০ সালে টাইমস ম্যাগাজিন তাঁকে বিংশ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব বলে চিহ্নিত করেছিল। আর তাঁর সেই বিশ্ববিখ্যাত ছবিটিকে ২০০১ সালে বিবিসি নিউজ চিহ্নিত করে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রতীক হিসাবে।১ আজও দুনিয়া জুড়ে সংগ্রামী জনসাধারণের হৃদয়ে মাথা উঁচু করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে স্বপ্নিল চোখে চেয়ে আছেন চে — এক আপোষহীন বিপ্লবী।

কিন্তু আমাদের মনে তাঁর যে ছবি আঁকা আছে, তা যেন এক রোম্যান্টিক নায়কের। চে সংগ্রামী, কিন্তু তাঁর সংগ্রাম যে কেবল সশস্ত্র যুদ্ধের ময়দানে সীমাবদ্ধ নয়, বৌদ্ধিক ও আদর্শগত সংগ্রামেও তাঁর ব্যাপক অবদান রয়েছে — এ কথা আমরা প্রায়শই ভুলে যাই। বিপ্লবী সেনানায়ক বা জননায়ক হিসাবে তাঁকে আমরা যতটা স্মরণ করি, বিপ্লবী চিন্তানায়ক হিসাবে তাঁর ভূমিকার কথা আমরা সেভাবে মনে আনি না। ফলে চে গুয়েভারার প্রতি আমাদের দৃষ্টি বহুমাত্রিক হতে পারেনি। তাই তাঁর জন্মদিনে শুধুমাত্র সাধারণ জীবনী না লিখে তাঁর আদর্শ ও চিন্তাধারা সম্পর্কে আলোচনা করা দরকার বলে মনে হয়।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

পরিবারের প্রভাব ও মার্কসবাদের সঙ্গে পরিচয়

আদর্শগত দিক থেকে চে ছিলেন মার্কসবাদী। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল অবধি চে একাধিকবার দক্ষিণ আমেরিকা ভ্রমণ করেন, মূলত মোটরসাইকেলে চেপে। সেই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়েই তাঁর বহুপঠিত বই মোটরসাইকেল ডায়েরিজ। অনেকেই মনে করেন, এই ভ্রমণকালেই তাঁর সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্ট সম্পর্কে অভিজ্ঞতা গড়ে ওঠে এবং মেক্সিকোতে ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে পরিচয় তাঁকে মার্কসবাদের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। কিন্তু বিষয়টা এত সরল নয়। সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্ট সম্পর্কে অভিজ্ঞতা আমাদের অনেকেরই কম বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু মার্কসবাদকে জীবনচর্যায় পরিণত করে সেই আদর্শের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যুবরণ করতে কি সবাই পারে?

বস্তুত, মার্কসবাদের প্রতি তাঁর আগ্রহের কারণ সুপ্ত রয়েছে তাঁর বেড়ে ওঠার মধ্যেই। জানা যায়, চে-র বাবা আর্নেস্তো গুয়েভারা লিঞ্চ ও মা সিলিয়া লে ডা সেরিনা দুজনেই ছিলেন নিরীশ্বরবাদী। তাঁরা চে সহ তাঁদের সমস্ত সন্তানকেই ধর্মশিক্ষার ক্লাস থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন। তাঁরা যাজকদের শোষক ধনীদের সহযোগী মনে করতেন। তাঁদের মধ্যে বামপন্থী প্রবণতা ফ্যাসিবিরোধী মানুষ ছিলেন।

এখানে বিশেষভাবে চে-র মা সিলিয়ার কথা উল্লেখ করা দরকার। তিনি ছিলেন উচ্চশিক্ষিতা, ব্যক্তিত্বময়ী, উদারমনা। নারীবাদী আন্দোলনে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, নারীদের ভোটাধিকারের সমর্থক ছিলেন। তাঁর সমাজে তিনিই প্রথম জনসমক্ষে ট্রাউজার পরেন, নিজে গাড়ি চালাতেন এবং তাঁর নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ছিল। পরিবারের এমন বামমনস্কতা যে তাঁর মতাদর্শ গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল তা বলাই বাহুল্য। মার্কসবাদের সঙ্গে তাঁর পরিচয়ও হয়েছিল পারিবারিক লাইব্রেরিতে, যেখানে তিনি মার্কস, এঙ্গেলস ও লেনিনের বই পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।

কাজেই মার্কসবাদের প্রতি চে-র আগ্রহ একদিনে তৈরি হয়নি, নিরন্তর অধ্যয়ন ও চিন্তা এই আগ্রহ তৈরি করেছিল। এবার তাঁর আদর্শ ও চিন্তাধারার নানা দিক নিয়ে আলোচনায় প্রবেশ করা যাক।

লিঙ্গসাম্য

মায়ের প্রভাব নারীদের সম্পর্কে চে-র মানসিকতা নির্ধারণ করেছিল। তাঁর বিখ্যাত গেরিলা ওয়ারফেয়ার গ্রন্থে তিনি লিখেছেন “মহিলারা বিপ্লবী কাজকর্মের অগ্রগতিতে যে ভূমিকা নিতে পারে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে জোর দেওয়া দরকার, কেন না আমাদের ঔপনিবেশিক মানসিকতার দেশগুলিতে নারীদের এতটাই হেয় করা হয় যে তা বাস্তবিকই বিভাজনের সৃষ্টি করে। মেয়েরা সবথেকে কঠিন কাজগুলি করতে সক্ষম। তারা পুরুষদের পাশাপাশি সমানতালে লড়তেও পারে। এবং যথেষ্ট আদর্শগত ও সাংগঠনিক ভিত্তি থাকলে, বর্তমান বিশ্বাস যাই হোক, তারা সৈন্যদের মধ্যে যৌনতা বিষয়ক কোনো দ্বন্দ্ব তৈরি করে না।” চে তাঁর যে কোনো লেখাতে যখনই man শব্দটা ব্যবহার করেছেন, তখনই একইসঙ্গে woman শব্দটাও ব্যবহার করেছেন। শ্রেণিসাম্য ও লিঙ্গসাম্যকে তিনি সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।

গেরিলা যুদ্ধ সংক্রান্ত মতবাদ

চে একজন গেরিলা যোদ্ধা। মজার কথা, তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ছবিটার নামও কিন্তু ‘এ টেরিফিক গেরিলা ফাইটার’. তাই তাঁর চিন্তাধারা বিশেষভাবে আবর্তিত হয়েছে গেরিলা যুদ্ধকে ঘিরে। তিনি মনে করতেন, লাতিন আমেরিকার মত যেসব দেশে স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের শাসন চলছে, যা কোনোভাবেই দেশের জনগণকে নাগরিক স্বাধীনতা দিতে রাজি নয়, সেইসব দেশে গেরিলা যুদ্ধই মুক্তির একমাত্র পথ।

গেরিলাদের চরিত্র বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “গেরিলা হল একজন সমাজ সংস্কারক, যে নিপীড়নকারীদের বিরুদ্ধে জনগণের বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদে সাড়া দিয়ে অস্ত্র তুলে নেয় এবং সমস্ত নিরস্ত্র ভাইদের অবজ্ঞা ও দারিদ্র্যের মধ্যে রাখে এমন সমাজব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য লড়াই করে।”

গেরিলা যুদ্ধকে তিনি বলেছেন জনগণের যুদ্ধ। গেরিলারা নিরস্ত্র জনগণের সশস্ত্র নিউক্লিয়াস, এবং ভ্যানগার্ড মাত্র, যাদের শিকড় বিস্তৃত জনগণের মধ্যেই। তাই জনগণের সমর্থন ছাড়া গেরিলা যুদ্ধ চালাতে গেলে বিপর্যয় অনিবার্য।

তাহলে কি গেরিলা যুদ্ধই মুক্তির একমাত্র উপায়? না, চে তেমন মনে করেন না। বরং তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন “যেখানে কোনো সরকার জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, জালিয়াতি করে বা না করে, এবং অন্ততপক্ষে সাংবিধানিক বৈধতা বজায় রেখেছে, সেখানে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করা অসম্ভব, যেহেতু নাগরিক সংগ্রামের সম্ভাবনা এখনও শেষ হয়নি।”

গেরিলা যুদ্ধ সম্পর্কে চে গুয়েভারার চিন্তা আজকের দিনেও বেশ প্রাসঙ্গিক। আজ ভারতবর্ষসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই সরকার যতই একাধিপত্যকামী হোক, তা একটা আপাত সাংবিধানিক স্বাধীনতা নাগরিক সমাজকে দেয়। তাই এইসব দেশে গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে শোষণহীন সমাজ গড়ার চেষ্টা কখনোই ফলপ্রসূ হবে না।

লাতিন আমেরিকার স্বতন্ত্র পরিচিতির আদর্শ

চে প্রধানত মার্কসবাদী, তবে কিউবান স্বাধীনতা সংগ্রামী ও কবি হোসে মার্তির আদর্শ তাঁকে যথেষ্ট প্রভাবিত করেছিল। বস্তুত, চে তাঁর আন্তর্জাতিকতার প্রথম পাঠ মার্তির থেকেই নিয়েছিলেন বলা যায়। মার্তি গণতান্ত্রিক উদারনীতিবাদের সমর্থক ছিলেন। তিনি সাম্রাজ্যবাদী স্পেনের বিরুদ্ধে কিউবার স্বাধীনতা সংগ্রামে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। লাতিন আমেরিকার দেশগুলিতে মার্কিন আগ্রাসনেরও বিরোধী ছিলেন। সশস্ত্র বিপ্লবের প্রতি তাঁর সমর্থন ছিল। মার্তির মতবাদের সবথেকে বড় দিক ছিল লাতিন আমেরিকার স্বতন্ত্র পরিচিতির আদর্শ।

আরো পড়ুন বামপন্থার প্রত্যাবর্তন – লাতিন আমেরিকার লাল জোয়ার

গুয়েভারা স্বয়ং নিজেকে মার্তির উত্তরসূরি হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন। তাঁর অসংখ্য লেখায় মার্তির উদ্ধৃতি ব্যবহার করেছেন। মার্তির মত তিনিও আজীবন লাতিন আমেরিকায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়ে গিয়েছেন। ওই মহাদেশের স্বতন্ত্র পরিচিতির আদর্শ যে তিনিও লালন করতেন তা তাঁর নানা লেখা ও বক্তৃতা থেকে স্পষ্ট হয়‌। বিশেষ উল্লেখযোগ্য ১৯৫২ সালে তাঁর এক ভাষণের অংশ বিশেষ, যেখানে তিনি বলছেন “আমেরিকাকে কতকগুলি অস্থিতিশীল ও অলীক জাতিতে বিভক্ত করা সম্পূর্ণ অবাস্তব। মেক্সিকো থেকে ম্যাগেলান স্ট্রেটস পর্যন্ত আমরা একটিমাত্র জাতি, যাদের মধ্যে অসংখ্য নৃতাত্ত্বিক সাদৃশ্য বর্তমান। এবং সেজন্য, সমস্ত সংকীর্ণ আঞ্চলিকতা থেকে মুক্ত হতে আমরা পেরু ও এক ঐক্যবদ্ধ আমেরিকার স্বাস্থ্য পান করছি।”১০ চে জন্মসূত্রে আর্জেন্তিনীয় হলেও ঐক্যবদ্ধ লাতিন আমেরিকার অধিবাসী বলেই মনে করতেন নিজেকে, সেজন্য কিউবা বা বলিভিয়ার বিপ্লবে ছুটে গিয়েছিলেন। অবশ্য, চে-র আন্তর্জাতিকতাবাদ মার্তির থেকে আলাদা। মার্তি বুর্জোয়া আন্তর্জাতিকতাবাদী, চে সর্বহারা আন্তর্জাতিকতার সমর্থক।

আন্তর্জাতিকতা

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রদত্ত ভাষণগুলি থেকে গুয়েভারার আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্কে চিন্তাধারা অনুধাবন করা যায়। এইসব ভাষণে তিনি দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া ও আফ্রিকার অনুন্নত তথা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলির সাধারণ বিপদ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন সাম্রাজ্যবাদ ও নয়া-উপনিবেশবাদকে। বলেছেন “একটি সাধারণ আকাঙ্ক্ষা আমাদের ভবিষ্যতের দিকে যাত্রায় একত্রিত করেছে: সাম্রাজ্যবাদের পরাজয়।”১১ লেনিন বলেছিলেন, “সাম্রাজ্যবাদ হল পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ স্তর”। সেই শিক্ষা অনুসরণ করেই চে এই দেশগুলিকে যুগপৎ সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন। দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন, “সর্বহারা আন্তর্জাতিকতাবাদের চর্চা শুধুমাত্র উন্নত ভবিষ্যতের জন্য সংগ্রামরত জনগণের জন্য একটি কর্তব্য নয়, এটি একটি অনিবার্য প্রয়োজনীয়তাও বটে।”১২ প্রতিটি অনুন্নত দেশকে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করা সমাজতান্ত্রিক দেশগুলির কর্তব্য হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।১৩

এই সর্বহারা আন্তর্জাতিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি বিপ্লবোত্তর কিউবার প্রশাসনিক পদ ত্যাগ করে পাড়ি দেন কঙ্গোয়। সেখানকার বিপ্লব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর তিনি বলিভিয়ায় গিয়ে অনুরূপ চেষ্টা করেন, কিন্তু ধরা পড়েন এবং খুন হন‌। হয়ত কঙ্গো বা বলিভিয়ায় বিপ্লব করার ক্ষেত্রে তিনি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছিলেন। এ কথা ঠিক, যে ওই দেশগুলিতে চরম স্বৈরাচারী সরকার ছিল, যা নাগরিক আন্দোলন সংগঠিত করতে দিত না। সেই সরকারগুলিও ছিল বিদেশী মদতপুষ্ট। তাই বিদেশি হয়েও ওইসব দেশে বিপ্লব ঘটাতে যাওয়া তাঁর ভুল হয়েছে, এমন বলা যায় না। কিন্তু তাঁর বিপ্লবী দল সম্ভবত সংশ্লিষ্ট দেশগুলির জনসাধারণের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলতে পারেনি। আর চে-র ভাষাতেই, জনগণের সমর্থন ছাড়া গেরিলা যুদ্ধে বিপর্যয় অনিবার্য। ফলে তাঁকে ব্যর্থ হতে হয়েছে।

চে-র তাত্ত্বিক আদর্শ ও চিন্তাধারা অনুসরণ করলে বোঝা যায়, তিনি যেমন রাষ্ট্রবিপ্লবী, তেমনই চিন্তার জগতেও বিপ্লবী। এ কথাও বুঝতে পারা শক্ত নয়, যে কেবল ভাবাবেগ নয়, সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তিই তাঁকে জনগণের সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে উদ্দীপ্ত করেছে। সেই তত্ত্বের নিজের জীবনে সার্থক প্রয়োগও ঘটিয়েছেন। কিউবার শিল্পমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অর্থনৈতিক সংস্কার ও জনশিক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম এই আলোচনার পরিধির বাইরে থাকলেও কিন্তু একটা কথা বোঝা দরকার, চে গুয়েভারার বীরত্ব, শৌর্য ও আত্মত্যাগের পাশাপাশি তাঁর তত্ত্বচর্চার কথা না জানলে চে চর্চা স্রেফ বীরপুজো হয়ে দাঁড়ায়।

তথ্যসূত্র

(১) Che Guevara, A Pictorial Biography, By Debabrata Das, Woodpecker (2019)
(২) পূর্বোক্ত।
(৩) পূর্বোক্ত।
(৪) চে গুয়েভারা লিখিত, Herper Perennial প্রকাশিত Guerrilla Warfare (2009) গ্রন্থ থেকে আমার অনুবাদ।
(৫) Guerrilla warfare: A method September 1963, Che Guevara Reader, Ocean Press
(৬) The Essence of Guerrilla Struggle, CGR.
(৭) পূর্বোক্ত।
(৮) পূর্বোক্ত।
(৯) The Story of Che Guevara, Lucia Alvarez de Toledo, Quercus (2019)
(১০) তখন চে তাঁর মোটরসাইকেল ভ্রমণের পথে বন্ধু আলবার্টোর সঙ্গে পেরুতে ছিলেন। সেখানকার এক ক্যান্টিনে ১৪ জুন তাঁর জন্মদিন পালন করা হয়। সেখানে তিনি এই বক্তব্য রাখেন। সূত্র: The Story of Che Guevara, Lucia Alvarez de Toledo, Quercus (2019)। বক্তব্যের ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ আমার।
(১১) At the Afro-Asian Conference in Algeria (February 24, 1965), CGR, অনুবাদ আমার।
(১২) পূর্বোক্ত।
(১৩) পূর্বোক্ত।

মতামত ব্যক্তিগত

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.