সাদিক মাহবুব ইসলাম
অবশেষে সমাপ্ত হল বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অনেক জল্পনা-কল্পনা, গুজব ও শংকা পার হয়ে নোবেল বিজয়ী ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশে ও বিদেশে গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছে বড় আকারের সংঘাত ও হানাহানি ছাড়াই। এপার বাংলা, ওপার বাংলা মিলিয়ে এরকম শান্তিপূর্ণ ও প্রশ্নবিহীন নির্বাচন সত্যিই সন্তোষজনক। মোট ২৯৭ আসনের ফল ঘোষিত হয়েছে, সেখানে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২ আসন, জামাত জোট পেয়েছে ৭৭ আসন, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন সাতটি আসনে। নির্বাচনের আগে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল জামাত জোট। কিন্তু ফলাফলে দেখা গেল, বিএনপি এককভাবে ২০৯ আসনে জয়লাভ করেছে। ভোটের শতকরা হারেও অর্ধেকের বেশি ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে জামাত পেয়েছে ৩২% ভোট। এখন কথা হলো, এই বিরাট বিজয় বিএনপিকে কতটা শক্তিশালী করল? বাংলাদেশের সামনের দিনগুলোই বা কেমন হবে?
বিএনপির এত বড় জয়ের রহস্য কী?
নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।
বিএনপির এই আসনসংখ্যা দেখে মনে হতে পারে, তারা একচেটিয়া জিতেছে। কিন্তু সচেতন পাঠকমাত্রই জানেন, এই নির্বাচনের ঠিক একমাস আগেও কতটা দোলাচলে ছিল বিএনপি। জামাতের ১১ দলীয় জোট রীতিমত ঢেউ তুলেছিল। এমনকি ডিসেম্বর মাসেও অনেকের মনে হচ্ছিল— বিএনপি গেল বুঝি। দলীয় বিশৃঙ্খলা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ এবং সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিএনপি নাস্তানাবুদ হচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। যমে মানুষে টানাটানি চলছে যখন, তখন জামাত ও তাদের বয়ান তৈরি করা প্রবাসী ইউটিউবার পিনাকী ভট্টাচার্য আর ইলিয়াস হোসেন অনলাইনে ছড়িয়ে দেয় এক বিশ্রী গল্প— তারেক রহমান আর বাংলাদেশে আসবেন না। নিজের মুমূর্ষু মাকে দেখতেই যে আসে না, সে দেশ চালাবে কী করে? বেগম জিয়ার মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর ১২ ডিসেম্বর তরুণ সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ শরীফ ওসমান হাদীর উপর হামলার পর চালু হয় তীব্র বিএনপিবিরোধী বয়ান। ফলে বিএনপিবিরোধী আবেগ তুঙ্গে ওঠে। গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে তাঁর মৃত্যু হলে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পরে বল্গাহীন হিংসা। দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ও উদীচীর অফিসও। এই ঘটনার পিছনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদত ছিল পিনাকী-ইলিয়াস এবং জামাতপন্থী আরও অনেক সমাজকর্মীর। ওই ঘটনার দিনই তারেক ঘোষণা করেন, দেশে ফিরবেন ২৫ ডিসেম্বর। বিএনপির নেতিয়ে পড়া পালে হাওয়া দেয় এই দুটো ঘটনাই— তারেকের প্রত্যাবর্তন এবং প্রথম আলো-ডেইলি স্টার পোড়ানো। সেই সময়কার সহিংসতার ফলে শিক্ষিত ও সচেতন মানুষের বদ্ধমূল ধারণা হয়ে যায়, জামাত উন্মত্ত জনতাকে উস্কানি যদি না-ও দেয়, তারা তাদের আদর্শগত প্রতিপক্ষের উপর হামলায় মদত দিতে করতে কসুর করবে না। দেশটা মবের মুলুক হয়ে যাওয়ার আশংকা সমাজের একটা বড় অংশকেই জামাতবিরোধী করে তোলে।
ঠিক তখনই ২৫ ডিসেম্বর তারেক লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন, বিএনপি নতুন প্রাণ পায়। দেশে নেমেই তারেক ঘোষণা করেন ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’। দেশব্যাপী নতুন করে ঝটিকা সমাবেশ, টেড টকের কায়দায় বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বয়ান নির্মাণ শুরু হয়। তারেকের অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও সামাজিক নিরাপত্তামূলক ওয়াদা (যেমন ফ্যামিলি কার্ড বা ফার্মার্স কার্ড) বেশ জনপ্রিয় হয় দেশজুড়ে। একই সময়ে জামাতের বেশ কিছু ভুল (জামাতের আমীরের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মরত নারীদের বেশ্যা বলা, বা দুজন অসৎ চরিত্রের নারী ও পুরুষের মিলনই ধর্ষণ— এসব কথা বলা এক পুরাতন ভিডিও ভাইরাল হওয়া) বেশ পিছিয়ে দেয় তাদের।
এছাড়াও আরও দুটো ব্যাপার বিএনপির কাজে লেগে যায়। প্রথমটা কওমী ঘরানার আলেমদের দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে জোটে টেনে নেওয়া। তাদের চারখানা আসন ছেড়ে দেওয়া হয়, যার মধ্যে একটাও তারা জেতেনি। কিন্তু এটা ইসলামপন্থী ভোটকে দেশব্যাপী ভাগ করে দেয়। অন্য ব্যাপারটা হল, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের (পীরসাহেব চরমোনাইয়ের দল) জামাতের জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া। এই দুই কারণে ইসলামপন্থী ভোটে এক বাক্সে আর পড়েনি।
বিএনপির এই উজ্জীবিত শক্তির সামনে তাই শেষতক ঝিমিয়ে পড়ে জামাতের ১১ দলীয় জোট।
জোয়ার থামল ৬৮ আসনে: জামাতের ভবিষ্যৎ কী?
জামাত দলটার অতীত নিয়ে প্রচুর বিতর্ক আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকাশ্য বিরোধিতা, ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচারী হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সঙ্গে মিলে নির্বাচনে যাওয়া, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করার ইতিহাসও আছে এই দলের। তার আগে জামাতের ফলাফল এমন কিছু সন্তোষজনক ছিল না। ১৯৯৬ সালে এককভাবে নির্বাচনে লড়ে পেয়েছিল মাত্র তিনটে আসন। ১৯৯১ সালে ১৮, ২০০১ সালে ১৭ আর ২০০৮ সালে দুটো আসনে জিতেছিল। এবার পেয়েছে এক লাফে ৬৮।
দেশের উত্তরাঞ্চল রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল খুলনা বিভাগে জামাতের সাফল্য চোখে পড়ার মত। খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের মধ্যে ২৫, রংপুরের ৩৩ আসনের মধ্যে ১৬ এবং রাজশাহীর ৩৯ আসনের মধ্যে ১১ আসনে জিতেছে। এতখানি অঞ্চল জামাতের সবুজে সবুজ। ঢাকা শহরে তারা পেয়েছে ছয় আসন, জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে একখানা। কাজেই জামাত ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম ফল লাভ করেছে।
এখন প্রশ্ন হল, জামাত কী করে এতদূর এল? তাদের রাজনৈতিক কৌশল ও উত্থান অনেকটাই ভারতের বিজেপির মত। জামাত নিজেকে দুর্নীতিমুক্ত শক্তি হিসাবে তুলে ধরে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে তাদের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হচ্ছে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ। ২০০৪ সালে ক্ষমতা হারানোর পর ২০১২ সাল নাগাদ ভারতে বিজেপির নির্বাচনী প্রত্যাবর্তনও হয়েছিল দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চের মধ্যে দিয়ে। জামাতের স্লোগান ছিল— সৎ লোকের শাসন চাই। জামাত নিজেদের উদারপন্থী হিসাবে তুলে ধরেছিল। ছাত্র সংসদগুলোতে জয়ের পর তাদের আত্মবিশ্বাসও বেড়ে গিয়েছিল। জামাতের আমীর বারবার পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে বলেছেন, যদিও তাঁদের অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীই পরিবারতন্ত্রের ফসল। জামাতের পুরো প্রচারাভিযানই হয়ে পড়েছিল বিএনপি কতটা খারাপ তার ক্যাটালগ। আরেকটা দিক ছিল, জামাত যে আগে কখনো ক্ষমতায় আসেনি সেকথা প্রচারে ব্যবহার করা।
বিজেপির মূল সংগঠন আরএসএস অসংখ্য সহযোগী ও শাখা সংগঠনের জালের মাধ্যমে কাজ করে। তাদের অনেকেই সরাসরি আরএসএসের নামটা বহন করে না। জামাতও একইভাবে রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক নিয়ে চলে। সেসব সংগঠন দল থেকে দূরে থেকেই কাজ করে। বিজেপি আর জামাত— দুই দলই ধর্মীয় দক্ষিণপন্থী, যে কোনো রাজনৈতিক পদক্ষেপের বৈধতার যুক্তি হিসাবে নিয়মিত ধর্মকে ব্যবহার করে থাকে। বিএনপি এই জিনিসটাকেই ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
আরো পড়ুন বহুত্ববাদ বাদে বাংলাদেশ হবে কেবল অতীতের প্রতিধ্বনি
এছাড়া জামাত আর বিজেপি— দুই দলই বিশাল সংগঠিত অনলাইন বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলেছে। এই বাস্তুতন্ত্র অল্প সময়ে যে কোনো তুচ্ছ বিষয়কে সোশাল মিডিয়ার প্রধান ইস্যুতে পরিণত করতে সক্ষম। বিএনপিকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে এই গুজব, ভুয়ো খবর আর বয়ানের লড়াই। তবে তাতে যেটা হয়েছে, তা হল একটা সময়ে জামাত নিজেদের বানানো বুদ্বুদে ঢুকে পড়ে এবং অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে যায়। এমনও গুঞ্জন আছে, জামাত নাকি মন্ত্রী পরিষদ পর্যন্ত ভেবে রেখেছিল এবং বিদেশী পরামর্শদাতাদের থেকে জানছিল— কীভাবে দেশ চালাতে হয়। কাজেই নির্বাচনের ফল তাদের উপর বজ্রাঘাত করেছে।
সম্ভবত এটাই হবে জামাতের রাজনীতির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। তারা এবারে সর্বস্ব উজাড় করে যে জুয়া খেলেছিল তাতে হেরে গেছে। তথাকথিত জোয়ারও ৬৮ আসনেই থেমে গেছে। জামাতের মত রক্ষণশীল দলের পক্ষে বিরোধী আসনে থেকে আর বড় হওয়া কঠিন।
আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কী?
আওয়ামী লীগ তো শুরু থেকেই প্রচার চালাচ্ছিল ‘নো বোট নো ভোট’। অর্থাৎ নির্বাচন বর্জন করুন। কিন্তু কীসের কী? প্রায় ৬০% ভোট পড়েছে, প্রচুর আওয়ামী সমর্থক ভোট দিয়েছেন এবং মুখ থুবড়ে পড়েছে এসব প্রচার। ফলে বললে ভুল হবে না যে, এই নির্বাচনে হেরেছে একমাত্র আওয়ামী লীগ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশের জনগণ। আওয়ামী রাজনীতির চিরকালীন মূল শক্তি— মুক্তিযুদ্ধ ও উদারপন্থী রাজনীতি— দুটোই বিএনপি দখল করে নিয়েছে। কাজেই আওয়ামী লীগের পক্ষে আগামীদিনে রাজনীতিতে ফিরে আসা কঠিন।
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। কিন্তু যে কোনো পথে লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসা এখনো অনেক দূরের ব্যাপার। কারণ তারেক গত ১৪ ফেব্রুয়ারিও হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানোর প্রশ্নে বলেছেন ‘এটি আইনি প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে।’ আর আওয়ামী লীগের সাথে বোঝাপড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে সমাধান হবে।’ এখন সমস্যা হল, আওয়ামী লীগ ছাড়াই যে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পর্যবেক্ষকদের কাছে গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করা যায়, তা প্রমাণিত হয়ে গেছে। লীগের বিশাল ভোটব্যাংক আছে— এই যুক্তিও এখন আর সেভাবে খাটছে না।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে?
বিএনপি তাদের পররাষ্ট্রনীতিকে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বলেই বর্ণনা করে থাকে। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও তারেক ভারত প্রসঙ্গে বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের স্বার্থ দেখবেন। তিনি পানির হিস্যা চান। তিনি দেখতে চান না আরেক ফেলানী ঝুলে আছে। তিনি মানুষের হিস্যা ও হিসাব চান। হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ভারত যদি স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, তো তাঁর কিছু করার নেই। বাংলাদেশের মানুষের সিদ্ধান্ত—শীতল সম্পর্ক থাকবে। তাঁকে মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে।
কাজেই বর্তমান সরকারের সঙ্গে আওয়ামী আমলের মত ভারতের দহরম মহরম যে থাকবে না সেটা বলাই বাহুল্য। বেগম জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখনো ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শীতলই ছিল। খুব খারাপ ছিল না, আবার খুব উষ্ণও ছিল না। তবে বাংলাদেশে একটা স্থিতিশীল সরকার থাকা ভারতের পক্ষে স্বস্তিদায়ক। এর আগে জামাত জোটের নেতা, কর্মী ও অনলাইন যোদ্ধারা প্রায়ই ভারত প্রশ্নে যুদ্ধং দেহি মনোভাব প্রকাশ করেছেন। সেদিক থেকে তারেক যে সাম্প্রতিক ভাষণগুলোতে ভারতকে কখনোই সরাসরি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেননি, সেটাও ভারত সম্পর্ক শীতলতা কমানোর লক্ষণ বলে ভাবা যেতেই পারে। সম্ভবত এজন্যই বিএনপির জয়ের পর সবার আগে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে বিএনপি বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাবনিকাশের কারণে ভারত সরকারকে কতটা সাড়া দিতে পারবে সেটা ভাববার কথা। কারণ জামাত যে কোনো স্বাভাবিক কূটনৈতিক আচরণকেই ভারতের দালালি বলে চালিয়ে দিচ্ছে এখন। বিএনপির পক্ষে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে বাধা আভ্যন্তরীণ, বাহ্যিক নয়। শেষমেশ তাকে বাংলাদেশের মানুষের স্বাভাবিক ভারতবিরোধী আবেগকে সম্মান করেই নীতি নির্ধারণ করতে হবে। সেখানে ভারসাম্য বজায় রাখাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।
নিবন্ধকার বাংলাদেশি সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট। মতামত ব্যক্তিগত
নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:
আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
টুইটারে আমাদের ফলো করুন।
আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যোগ দিন।







