দেশের কোটি কোটি প্রান্তিক বঞ্চিত মানুষের কাছে সুপ্রিম কোর্ট দিন দিন একটি মারাত্মক প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হতে শুরু করেছে। যখনই প্রশ্ন উঠছে ধর্ম নিয়ে বা জাতিবর্ণ নিয়ে, তখনই সুপ্রিম কোর্ট এমন এমন রায় দিচ্ছে যার ফলে সংখ্যালঘু ধর্মের এবং প্রান্তিক বা তথাকথিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষ হতাশার অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছেন। আর উল্লাসে ফেটে পড়ছে কারা? দেখে নিন— ব্যতিক্রমহীনভাবে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক সংগঠনগুলো।

সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের একটি রায়কে বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের বেঞ্চ বলেছে, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং শিখ ধর্ম ব্যতীত আর কোনো ধর্মে ধর্মান্তরিত নিম্নবর্ণের মানুষ জাতভিত্তিক সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন না। এই সুবিধা পেতে গেলে অন্য ধর্মে চলে যাওয়া মানুষকে পুনরায় এই তিনটি ধর্মের মধ্যে যে কোনো একটিতে ফেরত আসতে হবে এবং অতীতের জাতিবর্ণের বৈধ শংসাপত্র দেখাতে হবে, ধর্ম পরিবর্তনের (‘ঘর ওয়াপসি’) প্রামাণ্য নথিও দেখাতে হবে। তবেই আবার সংরক্ষণের সুবিধা পাওয়ার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হবে। এই রায়ের যখন এক বাক্যে বিরোধিতা করেছে কংগ্রেস, সিপিএম সহ সমস্ত বিরোধী দল, সামাজিক ন্যায়ের জন্য সংগ্রামরত দলিত সংগঠনগুলি, তখন উল্লাসের বন্যা লক্ষ্য করা যাচ্ছে সংঘ পরিবারে। রায় বেরনোর সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বলে দিয়েছে— এতে নাকি আমাদের সংবিধান, সামাজিক ন্যায় ও আইনের শাসন রক্ষা পাবে। সাধুসন্তদের সংগঠনগুলি লাফাচ্ছে এই বলে যে, এতে সনাতন ধর্ম রক্ষা পাবে। বিজেপি-আরএসএস পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকারেরও মনোভাব হল— খ্রিস্ট ধর্ম আর ইসলামের ভারতীয় শিকড় নেই এবং এই রায়ের ফলে ওই ধর্মগুলিকে বিদেশি শক্তির লাগাতার মদত দেওয়া ধাক্কা খাবে।

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পাশে দাঁড়ান

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। স্বাধীন মিডিয়া সজীব গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যে কথাগুলো বলা আবশ্যক এবং যে প্রশ্নগুলো তুলতে হবে, তার জন্যে আমরা আমাদের পাঠকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।
নাগরিক ডট নেটে সাবস্ক্রাইব করুন

~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

এদের কথায় যাওয়ার আগে সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতিদের নিয়ে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। প্রথমত, এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর এবং জটিল, যার সঙ্গে বহু মানুষের প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। এরকম একটি মামলার বিচার কেন সুপ্রিম কোর্টের দুজন মাত্র বিচারপতি ঠিক করতে গেলেন— তা নিয়ে অবশ্যই আমাদের প্রশ্ন তুলতে হবে। গত এক দশকে বারংবার দেখা গেছে, স্পর্শকাতর এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে আদালতের প্রায় সব রায় হিন্দুত্ববাদীদের পক্ষে গেছে। অবসরগ্রহণের পর সেই বিচারপতিদের রাজ্যসভার সদস্য বা রাজ্যপাল হতে দেখা গেছে। বিজেপিতে যোগদান করতেও দেখা গেছে। স্বাভাবিকভাবেই জনমনে এই ধারণা দৃঢ় হয়েছে যে, এইসব বিচারপতিরা তাঁদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে পদকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত মুনাফা তোলায় খেলায় মেতেছেন। এর ফলে বিচারব্যবস্থা তথা গোটা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিই সাধারণ মানুষের বিতৃষ্ণা বেড়েছে। যেসব ভয়ানক রায় তাঁরা দিয়েছেন, সেসবের ফলে সমাজে বিভিন্নরকম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সামগ্রিকভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি মানুষের অনাস্থা গোটা সমাজকে আরও স্থিতিশীলতাহীন করে তুলেছে। সংরক্ষণ সম্পর্কে রায় দেওয়া এই দুই বিচারপতিও সেই গোত্রের কিনা, সে প্রশ্ন কিন্তু মানুষের মনে ইতিমধ্যেই উদয় হয়েছে।

কংগ্রেস বলেছে, যখন সুপ্রিম কোর্টের তিনজন বিচারপতির বেঞ্চে এই রায়দানের ব্যাপারটা অপেক্ষমান, তখন বিচারপতি পি কে মিশ্র ও বিচারপতি মনমোহন তড়িঘড়ি এই রায় দিতে গেলেন কেন? এও জানা যাচ্ছে যে এই বিষয়টি নিয়ে একটি কমিটি তৈরি হয়েছিল ২০২২ সালে। সেই কমিটির রিপোর্ট বেরনোর কথা এমাসেই। তার আগেই সুপ্রিম কোর্টের দুজন বিচারপতি রায় দিয়ে দিলেন।

দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্টের পণ্ডিত বিচারপতিরা বলে দিলেন, বর্ণভিত্তিক সংরক্ষণের সুবিধা পেতে হলে অবশ্যই কোনো ব্যক্তিকে হয় হিন্দু, নয় শিখ, নয় বৌদ্ধ হতে হবে। কারণ ইসলাম বা খ্রিস্টধর্ম বর্ণাশ্রম মানে না। এই বিবৃতি শুধুমাত্র অজ্ঞানতাপ্রসূতই নয়, খুবই বিপজ্জনক একটি বক্তব্যকে ধারণ করে। বৌদ্ধরা জাতিবর্ণের ভেদ মানে এবং তথাকথিত বৌদ্ধ ধর্মে জাতিবর্ণের ভেদ স্বীকৃত— এই জ্ঞান এই বিচারপতিরা কোথায় পেলেন? তাঁরা হিন্দুত্ববাদী প্রচারে কতটা প্রভাবিত এবং স্বাধীন চর্চা থেকে কতটা বিযুক্ত, তা এই বিবৃতি থেকে পরিষ্কার। এই বিবৃতিতে যে বৌদ্ধ ধর্মকে তীব্র অপমান করা হল, তা বোঝার ক্ষমতা এই বিচারপতিদ্বয়ের নেই।

ভারতে বৌদ্ধ আন্দোলনের সূত্রপাতই হয়েছিল জাতিবর্ণের বিভাজনকে খারিজ করে। গৌতম বুদ্ধ তাঁর শিষ্যদের কাছে বৌদ্ধ সংঘকে মহাসমুদ্রের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। বিনয় পিটকের ‘চুল্লবগ্গ’ অংশে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে। বুদ্ধ বলেছিলেন, সঙ্ঘের মধ্যে মহাসমুদ্রের সাতটি গুণ বিদ্যমান। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হল— মহাসমুদ্রে যেমন বিভিন্ন নদীর জল এসে পড়ে এবং তারপর তা আর আলাদা করে কোনো নদীর জল থাকে না, সবই একত্রে সমুদ্রের জল হিসাবে পরিগণিত হয়, তেমনই সংঘে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র প্রভৃতি বর্ণের লোকেরা একত্রিত হয় এবং অতঃপর আর তারা কোনো বিশেষ বর্ণের লোক থাকে না। মহাসমুদ্রের জলের মতই হয়ে ওঠে সংঘের লোক, ভিক্ষু। সমুদ্রের জলে যেমন আলাদা করে চেনা যায় না যে কোন জল কোন নদীর তেমনই ভিক্ষুরা সবাই ভিক্ষু, সেখানে আলাদা করে চেনা যায় না কে কোন বর্ণের লোক। গৌতম বুদ্ধ সমগ্র সমাজকেই সংঘের আদর্শে পুনর্গঠিত করতে চেয়েছিলেন। এমন এক সমাজ নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন যেখানে কোনো জাতিবর্ণ বিভাজন থাকবে না, আলাদা করে চেনা যাবে না কে কোন বর্ণের, কাউকে ব্রাহ্মণ আর কাউকে শূদ্র বলে দাগিয়ে দেওয়া যাবে না।

বিনয় পিটক অধ্যয়ন করাটা এই মান্যবরদের কাছে যদি কষ্টকর এবং পরিশ্রমসাপেক্ষ হয়, তাহলে এঁরা অন্তত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চণ্ডালিকা নৃত্যনাট্য পড়ে দেখতে পারেন। সেখানে এক চণ্ডালকন্যার কাছে যখন গৌতম-শিষ্য আনন্দ জল চান, তখন সেই মেয়েটি বলে যে সে অস্পৃশ্য। তখন আনন্দ যে উক্তি করেন, তা সমগ্র বৌদ্ধ আন্দোলনের প্রাণ বলে বিবেচিত হয়। ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত এই নৃত্যনাট্যে চণ্ডালকন্যা প্রকৃতি আর বৌদ্ধ ভিক্ষু আনন্দের মধ্যেকার কথোপকথনকে কাব্যে ধরেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। সেটি একবার ফিরে পড়া বোধহয় পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাবে না।

প্রকৃতির বক্তব্য ছিল এরকম ‘ক্ষমা করো প্রভু, ক্ষমা করো মোরে—/আমি চণ্ডালের কন্যা,/মোর কূপের বারি অশুচি।/তোমারে দেব জল হেন পুণ্যের আমি/নহি অধিকারিণী,/আমি চণ্ডালের কন্যা।’ আনন্দ কী উত্তর দিয়েছিলেন? ‘যে মানব আমি সেই মানব তুমি কন্যা।/সেই বারি তীর্থবারি/যাহা তৃপ্ত করে তৃষিতেরে,/যাহা তাপিত শ্রান্তেরে স্নিগ্ধ ক’রে/সেই তো পবিত্র বারি।/জল দাও আমায় জল দাও।’

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হয়ে গেলেই যে দুনিয়ার সব বিষয় নিয়ে যা ইচ্ছে মতামত দেওয়া যায় না— একথা আমাদের জ্ঞানী বিচারপতিদের জানিয়ে দেওয়া দরকার। বৌদ্ধ ধর্ম যদি জাতিবর্ণের বিভাজন মানত, তাহলে বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর তাঁর বিপুলসংখ্যক অনুগামী নিয়ে হিন্দু পরিচয় ত্যাগ করে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষা নিতেন না। একথাও তো বিচারপতিদ্বয় স্মরণ করতে পারতেন।

তৃতীয়ত, যে কথাটি এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে বোধহয় সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাহ্মণ্যধর্ম অভিযোজিত হয়ে যে হিন্দুধর্মের উৎপত্তি, তার শাস্ত্র বলে যে প্রধান প্রধান পুস্তকগুলিকে স্বীকার করে, যেমন মনুসংহিতা বা ভগবদগীতা, তার প্রতিটিতেই জাতিবর্ণের ভেদের স্বীকৃতি আছে। কিন্তু ভারতে জাতিবর্ণ ব্যবস্থা নিছক একটি ধর্মীয় বিষয় নয়। জাতিবর্ণ ব্যবস্থা ভারতের একটি নির্দিষ্ট আর্থসামাজিক কাঠামো, যা নির্মিত হয়েছে ধর্মপুস্তক দিয়ে নয়, বরং শাস্ত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখা দিয়ে, যা স্মৃতিশাস্ত্র বলে পরিচিত। মনুসংহিতা তেমনই একটি স্মৃতিশাস্ত্র। এই স্মৃতিশাস্ত্রগুলি নিজের সমর্থন খুঁজেছে ধর্মশাস্ত্রে। গীতা হল ধর্মশাস্ত্র। মনুসংহিতা ছাড়া গীতা যেমন মূল্যহীন, তেমনই গীতা ছাড়া মনুসংহিতাও লোকমান্য হত না। স্মৃতি এবং শ্রুতির এই যুগলবন্দি দিয়ে তৈরি হয়েছে ভারতের নির্দিষ্ট আর্থসামাজিক কাঠামো। তারই নাম জাতিবর্ণ ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা তার অভ্যন্তরে টেনে নিয়েছে সকল বিশ্বাসের মানুষকে, অবিশ্বাসীকে, এমনকি অন্য ধর্মে বিশ্বাসীকে। কারণ এটি সামাজিক কাঠামো, গোটা সমাজ তার অধীন। কেউ তার বাইরে নয়। ধর্ম পরিবর্তন করলেই তার হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব নয়। ধর্ম পরিবর্তন শুধুমাত্র একটিই পরিবর্তন সূচিত করে, তা হল সেই ব্যক্তি তার নিজের পরিবারে বা নিজের ধর্মীয় মহলে ভিন্নভাবে পরিগণিত হয়। এর বেশি কিছু নয়। কিন্তু সমাজে সে তাতে করে ‘জাতে’ উঠে যায় না। আর্থসামাজিক সোপানশ্রেণিতে সে এক কদমও উপরে ওঠে না। তার আর্থসামাজিক বঞ্চনার তিলমাত্র নিরসন হয় না। পণ্ডিতদের একথা বোঝাবে কে? প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে আম্বেদকর কেন ধর্ম পরিবর্তন করেছিলেন? খুব পরিষ্কার কথা। আম্বেদকরের কাছে এটি ছিল নিছক প্রতীকী প্রতিবাদ। তিনিও জানতেন যে জাতিবর্ণ ব্যবস্থাকে নির্মূল করা অত সহজ একটা ব্যাপার নয়। জাতিবর্ণ ব্যবস্থাকে নির্মূল করার জন্য তিনি দলিতদের দ্বারা রাজনৈতিক ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। তাই তিনি নিজের পরিচয় দিতেন ‘শূদ্রদের রাজনৈতিক আন্দোলনের একজন কর্মী’ বলে (Who were the Shudras? গ্রন্থের ভূমিকা দ্রষ্টব্য)।

আরো পড়ুন হিন্দুরাষ্ট্র যে দলিতদের জন্য নয় তা এখন পরিষ্কার

যে হিন্দুত্ববাদীরা আদালতের এই রায় নিয়ে আনন্দে নাচছেন এই ভেবে যে এর ফলে হিন্দু ধর্ম থেকে অন্য ধর্মে যাওয়া বাধাপ্রাপ্ত হবে, সনাতন ধর্ম রক্ষা পাবে ইত্যাদি, তাঁদের উদ্দেশে পরিশেষে বলি, রাজনৈতিক হিন্দুত্ব কিন্তু কখনোই একথা স্বীকার করে না যে হিন্দু ধর্ম জাতিবর্ণের ভেদাভেদ মানে। যদিও বাস্তবের তারা প্রবল দলিতবিরোধী, দলিত নিপীড়নকারী, মুখে তা স্বীকার করে না। কারণ রাজনৈতিক হিন্দুত্বকে হিন্দু সংখ্যাগুরুবাদের উপরেই নির্ভর করতে হয়। জাতিবর্ণের ভেদ প্রকাশ্যে স্বীকার করলে তো সংখ্যাগুরুত্বই থাকবে না। পুঁজিপতিরা যেমন কখনোই প্রকাশ্যে শ্রেণিভেদ এবং শ্রেণিসংগ্রামের কথা স্বীকার করে না, তেমন রাজনৈতিক হিন্দুত্বও জাতিবর্ণের ভেদাভেদ প্রকাশ্যে স্বীকার করতে পারে না। করলে তাদের সমূহ সর্বনাশ।

আমাদের আলোচ্য বিচারপতিদ্বয় হয়ত শ্লাঘা অনুভব করছেন এই ভেবে যে, এই রায়ে মুসলমান আর খ্রিস্টানদের বেশ খানিকটা টাইট দেওয়া গেল। সে নাহয় গেল, কিন্তু যাদের ভালো করতে গেলেন, সেই বিনায়ক দামোদর সাভারকরের উত্তরসূরীদের নগ্নতা ঢাকার জন্য যে ডুমুরপাতাটি ছিল, তাও যে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে তাদের হাটের মাঝে উলঙ্গ করে দিলেন!

অন্যের ঘরে আগুন লাগাতে গেলে নিজেদের সিংহাসনও জ্বলে যায়। তাতে শুধু মুখ নয়, কপালও পোড়ে।

মতামত ব্যক্তিগত

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.