হুতোমের এদানি ভারী আলস্য হয়েচে। নেহাত সরকার বাহাদুরের মতন ফটোশপ কল্লেই কার্য সমাধা হয় না, তাই মধ্যে মধ্যে গাত্রোত্থান কচ্ছেন। নইলে নরক হতে ওয়াচডগগিরি কত্তে এসে বিঞ্জ ওয়াচ করেই দিন কাটিয়ে দিতেন। চাদ্দিকে নকশার অভাব নেই। কে নমাজ বন্ধ কত্তে গোমাতার বিষ্ঠার শরণ নিচ্চেন, কেবা চীনেদের শায়েস্তা কত্তে বেজিঙের ফোটো গ্রেজিং প্রদেশে বসাচ্চেন, কে ঘরে বসে গাণ্ডে পিণ্ডে গিলবেন মনস্থ করে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ চুষতে হওয়ায় প্রধান সেবক ও মুখ্য সেবিকার কাচে দরবার কচ্ছেন। অপোগণ্ডগুলির কারদানি হুবহু লিকে ফেল্লেই নকশা হয়ে যায়, তবু লেকা হচ্চে না। কারণ হুতোমের নেশা হয়েচে। রেভ পাটির নেশা নয়, ডিগবাজি দ্যাকার নেশা।

কমাস হল ডিগবাজির ধুম লেগেচে। যে বাবুরো দলে থেকে কাজ কত্তে পারচিলেন না, তেনারা দলে দলে ডিগবাজি খেয়ে দলে ফিরচেন। এ সওয়ায় কমুনাল বাবুরো রাতারাতি সেকুলার হলেন, কাল যাকে ভগৎ সিংহ বলা হয়েচে আজ তাকে জগৎ শেঠ বলতে হওয়ায় এ পক্ষের আইটি সেনা নাকাল, ও পক্ষের ইন্টেলেকচুয়াল বাবু বিবি কালকের দাঙ্গাবাবুকে আজকের লেসার ইভিল প্রমাণ কত্তে থিওরি খুঁজে নাজেহাল। গায়ের জোরে ফ্যাক্টরি করা চলবে না বলে বাণী দেয়া বাবু বিবি, কাউকে কোতাও পিঠটান দিতে হবে না বলে ভরসা দেয়া বাবু — সকলি ডিগবাজি খেয়ে ফ্যাক্টরিচাইবাবু হয়ে পল্লেন।

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

তবে সকল ডিগবাজির সেরা ডিগবাজি খেয়েচেন প্রধান সেবক। তিনি মাস্টারস্ট্রোক পজিশন হতে এম্নি ডিগবাজি খেলেন যে সেটিও মাস্টারস্ট্রোক হয়ে গ্যাচে। তেনার ডিগবাজির ঠেলায় সকল খালিস্তানি, অ্যান্টিন্যাশনাল, টেররিস্ট ভদ্রলোক হয়ে পড়েচে। অ্যামন মহাপুরুষকে একলা ডিগবাজি খেতে দেয়া হয় না। এদিকে ভক্তকুলে ডিগবাজি খাওয়া নে বেজায় শোরগোল পড়েচে। অর্ধেক মধ্যরাতে পশ্চাদ্দেশে বেশ্যার পদাঘাত খাওয়া অভিমানী মাতালের মতন ব্ল্যাক ডে ফর ডেমোক্রেসি, ব্ল্যাকমেলারদের কাচে মাথা নোয়ানো হল ইত্যাদি বলে বিলাপ কচ্ছেন। এক বাবু একটি বৎসর পথ আটকে বসলে ইনকাম ট্যাক্স মাপ হবে বলচেন। তবে ওপেন এয়ার হিটার আবিষ্কার না হওয়ায় দিল্লির শীতে আন্দোলনটি শুরু কত্তে ভরসা পাচ্চেন না। বাকি অর্ধেকের পেত্যয় হয়েচে প্রধান সেবক শ্রীবিষ্ণুর একাদশাবতার। তাই নূতন মাস্টারস্ট্রোকটির মহিমা বর্ণনের ভাষা পাচ্চেন না।

এম্নি সময় গুপুস করে খাকি প্যান্টের ছোটো ল্যাবরেটরিতে ইলেকশনের তোপ পড়ে গ্যালো। ল্যাবরেটরিতে বাঙালীর ছড়াছড়ি আর ইলেকশনটি বাংলার মতন হবে না এ বা কি কতা? ল্যাবরেটরির রেভোলিউশনারি মুখ্যসেবক মনোনয়ন জমা কত্তে গেলে রক্তারক্তি নিজের ভোট অন্যেরে দিতে দিন পলিসি অবধি সকলি প্রয়োগ করে দেকিয়ে দিলেন তিনি বাংলা হতে সকলি শিখেচেন। কমুনিষ্টরা দ্যাকালেন তেনারা কিচুই শেখেননি। তেনাদের বাংলার ভেয়েরা সুবোধ বালক হয়ে থেকে ভেবেচিলেন অমনি জিতে যাবেন, এনারাও তাই কল্লেন ও মিছিলের লোকগুলি ভোট ডাকাতি আটকাতে আসেনি কেন ভেবে বিস্তর মাতা চুলকোলেন।

তবে সকল বাঙালী তেনাদের মতন ফাঁকিবাজ স্টুডেন্ট নন। মুখ্যসেবিকার মতন ফার্স্ট গার্লও আচেন। গাঁটকাটাবাবুর মার্কেটিং ক্লাসে তিনি একটি দিনও ঘুমোননি। অ্যাকন পাহাড়ে, সাগরে মার্কেটিং কচ্ছেন। শুনচি শিগগির গ্রেজিং প্রদেশ, মেয়েহারিওনা, গ্যাসচেম্বারসহ সকল রাজ্যেই পাড়ি দেবেন। দল ভারী কত্তে মোহনভোগেরও অভাব হবে না। দেশবাসীর দুই হাতে লাড্ডুর পাকা বেওস্তা করা হচ্চে। এ হাতে প্রধান সেবক, ও হাতে মুখ্য সেবিকা। প্রধান সেবক কোনো মতে পিছলে গেলে মুখ্য সেবিকা প্রধান সেবিকা হবেন। মাস্টারস্ট্রোকের মাস্টারপ্ল্যান তোয়ের হয়ে গ্যাচে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.