বিশ্বজিৎ রায়

“কোথায় ভাই ক্ষুদিরাম? আঠারো মাসের পরে আসবে বলে গেছ, এসেছও হয়ত প্রতি ঘরে ঘরে। কিন্তু আঠারো বছর যে কেটে গেল ভাই! সাড়া দাও সাড়া দাও আবার, যেমন যুগে যুগে সাড়া দিয়েছ ঐ ফাঁসির মন্ডপের রক্ত মঞ্চে দাঁড়িয়ে।”

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এভাবেই আবেদন জানিয়েছিলেন দেশের যুব সম্প্রদায়ের কাছে। চেয়েছিলেন শহীদ ক্ষুদিরামের মত একটি মহৎ বিপ্লবী চরিত্রের অনুশীলন যাতে জীবন্ত থাকে; দেশের ছাত্র যুবকরা যেন ক্ষুদিরাম হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে যার জীবন শেষ হয়ে গিয়েছে, ‘পরিণত’ হয়ে উঠতে পারেনি যে, তাকে কেন বারবার ফিরে আসতে বলছেন নজরুল? মৃত্যুর ১১৩ বছর পরেও কি ক্ষুদিরাম ফিরে আসেন এই ভারতবর্ষে? শাহীনবাগ থেকে মণিপুর — রাষ্ট্রের লাঠি, বেয়নেটের সামনে একরোখা বুকটান করে দাঁড়ায় যে যৌবন, তার কতখানি প্রয়োজন ক্ষুদিরামকে?

নাগরিকের পক্ষ থেকে আবেদন:

 প্রিয় পাঠক,
      আপনাদের সাহায্য আমাদের বিশেষভাবে প্রয়োজন। নাগরিক ডট নেটের সমস্ত লেখা নিয়মিত পড়তে আমাদের গ্রাহক হোন।
~ ধন্যবাদান্তে টিম নাগরিক।

১৯০৮ সালের ১১ই আগস্ট,ভোর ৬টা। ভারতবর্ষের অগণিত মানুষের সীমাহীন বেদনার ভোর। আঠারো বছরের তরতাজা এক কিশোর বীর পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে ফাঁসির মঞ্চের দিকে, মুখে এক গভীর তৃপ্তির হাসি। বধ্যভূমির হাড় হিম করা পরিবেশকে অবলীলায় অগ্রাহ্য করে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকা রাজপুরুষদের প্রশ্ন করেছিল সেই কিশোর “তোমরা ফাঁসির দড়িতে মোম লাগাও কেন?”

আপাত নিরীহ এই প্রশ্নটির মধ্য দিয়ে মৃত্যুকে অবলীলায় বরণ করা এক কিশোরের নির্ভীক প্রাণের পাশাপাশি ফুটে উঠেছিল সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রের অমানবিকতার প্রতি তীব্র ব্যঙ্গ। ফাঁসি হয়ে গেল ক্ষুদিরামের। নিভে গেল একটি সম্ভাবনাময় জীবনদীপ, রচিত হল এক বলিষ্ঠ জীবনাদর্শ, অপরাজেয় সাহস ও আত্মমর্যাদাবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সঞ্জীবনী পত্রিকা ১২ আগস্ট ১৯০৮ লিখল “মঙ্গলবার কলিকাতার বহুসংখ্যক যুবক ও বালক ক্ষুদিরামের ফাঁসি হওয়াতে নগ্ন পদে স্কুল ও কলেজে উপস্থিত হইয়াছিল। প্রেসিডেন্সি ও জেনারেল অ্যাসেম্বলি কলেজে অধিকাংশ ছাত্র শোক পরিচ্ছদ পরিধান করিয়া কলেজে গিয়েছিল।… যুবকগণের অনেকে সেদিন নিরামিষ আহার করিয়াছিলেন।”

বিশেষত ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান সেদিন ভারতের ঘুমন্ত যৌবনকে জাগিয়ে দিয়েছিল। সমস্ত পিছুটান ছিন্ন করে যুব শক্তি ঝাঁপিয়ে পড়ল মরণ জয়ের যজ্ঞে। কিছুদিনের মধ্যেই নিহত হলেন বিশ্বাসঘাতক নন্দলাল ব্যানার্জী। রাজসাক্ষী নরেন গোঁসাইকে জেল হাসপাতালের মধ্যেই গুলি করে মারলেন কানাইলাল দত্ত। বিচারের সময় যখন কানাইলালকে জিজ্ঞাসা করা হল জেলের অভ্যন্তরে কীভাবে তিনি অস্ত্র জোগাড় করলেন, উত্তর দিয়েছিলেন “ক্ষুদিরামের আত্মা আমায় এ পিস্তল দিয়ে গেছে।” এইভাবে জানা,অজানা অসংখ্য ছাত্র, যুবক এগিয়ে এলেন স্বাধীনতার যজ্ঞে নিজেদের আত্মাহুতি দিতে। কবি লিখেছেন “আগে কেবা প্রাণ করিবেক দান তারই লাগি কাড়াকাড়ি।”

স্বাধীনতা আন্দোলনের গতিপথে জন্ম নিল এক নতুন ধারা, যা সেদিন কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীদের বুকে।

ক্ষুদিরাম দেশসেবার জন্য পাগল। পরিবারের সাথে বিরোধ চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছনোর আগেই ঘর ছাড়লেন। কোথায় থাকবেন, কোথায় যাবেন কোনো ঠিকঠিকানা নেই। দেশের জন্য উৎসর্গীকৃত বিপ্লবীদের যে কোনোমতেই আপোষ করা চলে না! ক্ষুদিরামের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তখন এই সমস্ত বিপ্লবীদের বাড়ি ফেরানোর একটা প্রক্রিয়া চালু ছিল। বিয়ে দিয়ে সংসারী করে দেওয়া। অপরূপা দেবী ক্ষুদিরামের ক্ষেত্রেও তাই করতে চেয়েছিলেন। পাত্রীও ঠিক হয়ে গিয়েছিল। অপরূপা দেবী যখন ক্ষুদিরামকে প্রস্তাব দিলেন, ক্ষুদিরাম উত্তরে বলেছিলেন “দিদি,ওটা এখন থাক। আগে সাদা পঙ্গপালগুলোকে দেশ থেকে তাড়াই।” দিদি জিজ্ঞাসা করলেন “পঙ্গপাল কী রে?” ক্ষুদিরাম উত্তর দিলেন “আমাদের দেশের চাষিরা কত প্রাণ ঢেলে দিয়ে ধান উৎপন্ন করছে আর ব্রিটিশরা সেই ধান থেকে চাল বের করে জাহাজে করে নিয়ে চলে যাচ্ছে ম্যানচেস্টারে, সেখানে কাপড়ে মাড় দেবে বলে। আগে ব্রিটিশকে দেশ থেকে তাড়াই। এখন বিয়ে করতে পারব না।” এই ছোট্ট কথাটির মধ্য দিয়ে খুব সহজভাবে ক্ষুদিরাম সেদিন বুঝিয়ে দিয়েছিলেন সাম্রাজ্যবাদের চরিত্র। কীভাবে সাম্রাজ্যবাদ দেশের মানুষকে অভুক্ত রেখে দেশের সম্পদ লুট করে নিয়ে চলে যাচ্ছে তা অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় তুলে ধরেছিলেন। আরেক জায়গায় ক্ষুদিরাম দিদিকে বলেছিলেন “আমি পাগল হয়ে যাই এই দেখে যে, কঙ্কালসার কাঙালির দল শীতের পোশাক না পেয়ে ঠকঠক করে কাঁপছে,আর বড়লোকের বাবুরা গায়ে শাল দিয়ে সিগারেট টানতে টানতে পথ চলছে।”

দেশের প্রতি শুধু অন্ধ আবেগ ছিল না, দেশটাকে তিনি দেখেছেন একটা দ্বিধাবিভক্ত অস্তিত্ব হিসাবে। একদিকে মুষ্টিমেয় বড়লোক আর অন্যদিকে বেশিরভাগ গরীব,অসহায় মানুষ। ক্ষুদিরামের প্রাণ কেঁদে উঠেছিল এই গরীব অসহায় মানুষদের জন্য।

ক্ষুদিরামের বয়স তখন ১৪ বছর। শীতের সকাল। লক্ষ্মীনারায়ণ দাস নামে এক ভিক্ষুক ক্ষুদিরামের বাড়িতে এসে হাজির। প্রবল ঠান্ডায় ঠক ঠক করে কাঁপছে ভিখারীটি। তাকে দেখে কেঁদে উঠল ক্ষুদিরামের অন্তর। দেওয়ার মত কিছুই নেই, একমাত্র সম্বল পিতার শেষ স্মৃতি বিজড়িত একটি দামী শাল। নির্দ্বিধায় পিতার স্মৃতিটুকু ভিক্ষুকের হাতে তুলে দিয়ে বললেন “তোমাকে দেবার মত আমার আর কিছুই নেই। এই শাল আমি গায়ে দিইনি। দেবার সুযোগ আমার জীবনে আসবে কিনা সন্দেহ। বাবার স্মৃতিটা দেবার মত যোগ্য পাত্র তোমার চেয়ে বেশি কি আর মিলবে?”

তমলুক শহরে কলেরা তখন মহামারীর আকার ধারণ করেছে। তখন কলেরা মানে নিশ্চিত মৃত্যু। আক্রান্ত পিতা-মাতা-পুত্র-কন্যা-পরিবার-পরিজনকে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে রেখে পরিবারের অন্য সদস্যরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ক্ষুদিরাম পরিবারের সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে, মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে দিনের পর দিন রাত জেগে সেবা করলেন। এমনই ছিল তাঁর মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সংবেদনশীল মন। এ দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্ট-বেদনা তাঁর কচি মনকে নাড়া দিয়েছে বারবার। তাই নিজের অন্তরের টানেই যোগ দিয়েছিলেন গুপ্ত সমিতিতে। বিপ্লবী মন্ত্রে দীক্ষা নেওয়ার পর ভবিষ্যৎ জীবনের চিন্তা, মাতৃসমা দিদির চোখের জল — কোনও কিছুর পিছুটানই তাঁকে কর্তব্য থেকে বিরত করতে পারেনি। এমনকি নাড়াজোলার রাজা নরেন্দ্রলাল খাঁ যখন তাঁর উচ্চশিক্ষার ভার নিতে আগ্রহী হয়েছিলেন, তখন ক্ষুদিরাম বলেছিলেন “আমি দেশের কাজ করার জন্য লেখাপড়া ছেড়েছি। যদি আমি আপনাদের সংসারে থাকি তাহলে বাবু হয়ে যাব। দেশের কাজে মন লাগবে না।” তারপর বললেন “আমি আপনার কাছে দেশের জন্য কিছু চাই। আমরা বড়বাজারে স্বদেশী জিনিস বিক্রির জন্য একটা ছাত্র ভান্ডার খুলেছি। তার মূলধন খুবই অল্প। যদি আপনি মূলধনের জন্য কিছু টাকা দেন,তাহলে প্রতিষ্ঠানটি বেশ চালু হবে।” অল্পবয়সী এই কিশোরের দেশপ্রেমে রাজা নরেন্দ্রলাল বিস্মিত হয়েছিলেন। শুধু আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বিপ্লবী জীবনের কষ্টের মধ্যেই তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন চরম তৃপ্তি।

ক্ষুদিরাম যে জন্য তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন, অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হল। অত্যাচারী কিংসফোর্ডকে হত্যা করার দায়িত্ব পড়ল ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকীর উপর। দায়িত্ব পালন করতে দুই বিপ্লবী রওনা হলেন মজঃফরপুরের দিকে। ৩০ এপ্রিল বোমা ফেলার ঘটনার পর ক্ষুদিরাম স্টেশনে জল খেতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন। আঠারো ঘন্টা দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে ক্ষুধার্ত, ক্লান্ত, প্রচণ্ড মানসিক উদ্বেগে ভারাক্রান্ত এই কিশোর। ধরা পড়ার পরেই ঘটল অসহনীয় শারীরিক নির্যাতন। তার উপর এ-ও জেনেছেন যে তাঁদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি। এমন এক পরিবেশে বিপ্লবী শৃঙ্খলার প্রতি কতটা গভীর আনুগত্য থাকলে, দেশের স্বাধীনতার প্রতি কতটা যুক্তিমিশ্রিত আবেগ ও দৃঢ় প্রত্যয় থাকলে তবেই বিপ্লবী দলের কোনও গোপন খবর ফাঁস না করে পুরো ঘটনার দায় নিজের উপর চাপিয়ে নেওয়া যায়, তা আজকের ইতিহাসপ্রণেতাদের ভালো করে ভেবে দেখা উচিত। এই ক্ষুদিরামদের দেখেই শরৎচন্দ্র লিখেছিলেন “স্বার্থ-গন্ধ থাকবে না, প্রাণের ভয় পর্যন্ত থাকবে না, একদিকে দেশসেবক নিজে আর একদিকে তার দেশ, মাঝে আর কিছু থাকবে না। বল, অর্থ, দুঃখ, বাধা, পুণ্য, ভাল, মন্দ সব যে দেশের জন্য বলে দিতে পারবে, দেশসেবা তার দ্বারাই হবে।”

ক্ষুদিরাম কিংসফোর্ডকে মারতে পারেননি এ কথা সত্য, কিন্তু ক্ষুদিরামের দেশপ্রেম-সাহস-তেজ-আত্মমর্যাদাবোধ সেদিন গোটা দেশের যুবশক্তিকে এক ধাক্কায় জাগিয়ে দিতে পেরেছিল। ইতিহাসের এই সত্যকে চাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা এক গভীর চক্রান্ত।

ক্ষুদিরাম হাসতে হাসতে ফাঁসির রজ্জু বরণ করেছিলেন। মৃত্যুর সীমানায় দাঁড়িয়ে জীবনবোধ গভীর হলে তবেই এই ভার বহন করা যায়। সাহস, বলিষ্ঠতা, আত্মমর্যাদাবোধ, আদর্শনিষ্ঠা এবং গরীব অসহায় মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা তাঁর জীবনের সুর এমনভাবে বেঁধে দিয়েছিল যে ফাঁসির দড়ি গলায় পরার সময়ও গভীর আনন্দে তিনি স্থির থাকতে পেরেছিলেন, তৃপ্তিতে ভরপুর থাকতে পেরেছিলেন৷

২০২১ সালের আগস্ট মাসে যখন নতুন করে পড়তে চেষ্টা করছি ক্ষুদিরামকে, তখন গোটা দেশ সর্বাত্মক সংকটে জর্জরিত। অনাহার-বেকার সমস্যা-ছাঁটাই-শিশুমৃত্যু-নারী নির্যাতন সমস্ত কিছু মিলিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ বললেও কম বলা হবে। করোনা অতিমারী পুঁজিবাদী শোষণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার কঙ্কালসার রূপটি আরও স্পষ্ট করে দেখিয়ে দিয়েছে। একদিকে রাষ্ট্রের সীমাহীন শোষণ,অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভকে প্রশমিত করার জন্য সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রতা, জাত্যভিমান, নীতি-নৈতিকতা-মূল্যবোবোধের চূড়ান্ত সংকটকে হাতিয়ার করে ফ্যাসিবাদের জমি ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। এমন এক সর্বাত্মক সংকটের সময়ে যারা আজকের শোষণমূলক ব্যবস্থার উচ্ছেদের জন্য লড়াই করবেন, এনআরসি-র নাম করে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ রুখতে যাঁরা লড়াই করবেন, শিক্ষা-চিকিৎসা-চাকরির দাবিতে যাঁরা আন্দোলন গড়ে তুলবেন, সমস্ত ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজ যাঁরা প্রতিবাদী রাজনীতি করবেন, বিশেষ করে বামপন্থী আন্দোলনের নিশানকে বহন করবেন, সেই বামপন্থী চরিত্র নির্মাণের সূচনাপর্বে যদি ক্ষুদিরামদের সঙ্গে পরিচয় না ঘটে, ক্ষুদিরাম ও অন্যান্য আপোষহীন সংগ্রামী ধারার চরিত্রের অনুশীলন যদি যথার্থভাবে না হয়, তাহলে বামপন্থী চরিত্রের বুনিয়াদ গড়ে উঠতে পারে না। বস্তুত, পশ্চিমবাংলার বামপন্থী রাজনীতির চালিকাশক্তি মূলত যাঁদের হাতে থেকেছে, তাঁরা স্বাধীনতা আন্দোলনের এই গৌরবোজ্জ্বল ধারার যথার্থ চর্চা করেননি, হয়ত গুরুত্ব অনুভব করতেও পারেননি। যতখানি চর্চা করা প্রয়োজন ছিল, হয়ত তা হয়নি। তার মাশুল আজ দিতে হচ্ছে। সুতরাং সংগ্রামী বামপন্থার ভিত মজবুত করতে ক্ষুদিরামের মত চরিত্রগুলোর অনুশীলন আজ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।

তথ্যসূত্র:

১। বাংলার পাঁচ স্মরণীয় বিপ্লবী; সম্পাদনা: দেবপ্রসাদ জানা

২। স্বাধীনতা সংগ্রামে সশস্ত্র বিপ্লবীদের ভূমিকা: সুধাংশু দাশগুপ্ত

৩। ক্ষুদিরাম জীবনীগ্রন্থ

নিবন্ধকার বামপন্থী গণআন্দোলনের কর্মী

স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্ণ উপলক্ষে নাগরিক ডট নেটের বিশেষ সংখ্যার লেখাগুলো (স্বাধীনতা ৭৫):

Leave a Reply